হাইভ মাইন্ড
হাইভ হলো সেই মৌমাছির চাক বা মধুকোষ— আমরা সকলেই জানি। হাইভ মাইন্ড বলতে বোঝায়, এমনি 'পুঞ্জীভূত বুদ্ধিমত্তা'কে। বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতে মানুষ এই রকম সমষ্টিগতভাবেই চিন্তা করতে পারবে।
অনুরূপ একটি টার্ম হলো Swarm Intelligence (SI). হ্যাঁ, এটা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সরই একটি রূপ। 1989 সালে Gerardo Beni এবং Jing Wang এ টার্মটিকে পরিচিত করেন।
Swarm কী? একটা ঝাঁক, তা সে পাখি বা পতঙ্গ, যাই হোক। এ ঝাঁকের বিশেষত্ব হলো এরা সব সমন্বিতভাবে একই দিকে চলবে। Swarm এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে পিঁপড়ার কলোনি, পাখির ঝাঁক, পশুর পাল, মাছের schooling (একই দিকে চলমান মাছের ঝাঁক)। একক সত্তা হিসেবে এদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ যতখানি যথাযথ, একটা একক দল হিসেবে যখন তারা চিন্তা করে সেই সিদ্ধান্ত তার চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য, তার চেয়ে বেশি যথাযথ। এটাই Swarm Intelligence এর মূল ধারণা।
SI ব্যবহার করে মার্কিন সেনাবাহিনী মানববিহীন যান চালিয়ে থাকে। গ্রহের ম্যাপিং-এ নাসা SI ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে। 1992 সালে দেহের ক্যান্সার টিউমার ধ্বংসের জন্য ন্যানোবট নিয়ন্ত্রণে SI এর সম্ভাব্যতা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
2015 সালে ড. লুই রোজেনবার্গ মানুষের মধ্যে SI এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন, যা Human Swarming নামে পরিচিত। একটা পোল বা গণভোটে যেমন মানুষের মতামতের ভিন্নতাকে প্রাধান্য দেয়া হয় (আপনি কি এটা সমর্থন করেন- হ্যাঁ/না)। কিন্তু হাইভ মাইন্ড বা হিউম্যান সোয়ারমিং এ সব মানবসত্তা দলগতভাবে একই চিন্তা করবে, ফলে সবাই মিলে সকলের জন্য কার্যকরী একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবে। পোলে যেমন Polarization (মেরুকরণ) হয়, SI এ হয় decentralisation (বিকেন্দ্রীকরণ)। অর্থাৎ একটি আরেকটির সম্পূর্ণ বিপরীত! হাইভ মাইন্ডের একই রকম আইডিয়া মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের কোনো এক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে Resonance হিসেবে পেয়েছিলাম।
বর্তমান কালের বিজ্ঞানীরা বলছেন হাইভ মাইন্ডই নাকি আমাদের ভবিষ্যৎ। তবে অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, এতে আমাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য হারাতে পারে। আমরা হয়তো অন্য কী চিন্তা করছে তা জেনে যাবো, আর তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের হাসিঠাট্টা-পারিবারিক আড্ডাগুলোর নির্মল আনন্দ আর পাওয়া যাবে না! দেখা যাক, কী হয়!
• https://youtu.be/MbL6mEwE3wU
• https://en.m.wikipedia.org/wiki/Swarm_intelligence
অনুরূপ একটি টার্ম হলো Swarm Intelligence (SI). হ্যাঁ, এটা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সরই একটি রূপ। 1989 সালে Gerardo Beni এবং Jing Wang এ টার্মটিকে পরিচিত করেন।
Swarm কী? একটা ঝাঁক, তা সে পাখি বা পতঙ্গ, যাই হোক। এ ঝাঁকের বিশেষত্ব হলো এরা সব সমন্বিতভাবে একই দিকে চলবে। Swarm এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে পিঁপড়ার কলোনি, পাখির ঝাঁক, পশুর পাল, মাছের schooling (একই দিকে চলমান মাছের ঝাঁক)। একক সত্তা হিসেবে এদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ যতখানি যথাযথ, একটা একক দল হিসেবে যখন তারা চিন্তা করে সেই সিদ্ধান্ত তার চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য, তার চেয়ে বেশি যথাযথ। এটাই Swarm Intelligence এর মূল ধারণা।
SI ব্যবহার করে মার্কিন সেনাবাহিনী মানববিহীন যান চালিয়ে থাকে। গ্রহের ম্যাপিং-এ নাসা SI ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে। 1992 সালে দেহের ক্যান্সার টিউমার ধ্বংসের জন্য ন্যানোবট নিয়ন্ত্রণে SI এর সম্ভাব্যতা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
2015 সালে ড. লুই রোজেনবার্গ মানুষের মধ্যে SI এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন, যা Human Swarming নামে পরিচিত। একটা পোল বা গণভোটে যেমন মানুষের মতামতের ভিন্নতাকে প্রাধান্য দেয়া হয় (আপনি কি এটা সমর্থন করেন- হ্যাঁ/না)। কিন্তু হাইভ মাইন্ড বা হিউম্যান সোয়ারমিং এ সব মানবসত্তা দলগতভাবে একই চিন্তা করবে, ফলে সবাই মিলে সকলের জন্য কার্যকরী একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবে। পোলে যেমন Polarization (মেরুকরণ) হয়, SI এ হয় decentralisation (বিকেন্দ্রীকরণ)। অর্থাৎ একটি আরেকটির সম্পূর্ণ বিপরীত! হাইভ মাইন্ডের একই রকম আইডিয়া মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের কোনো এক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে Resonance হিসেবে পেয়েছিলাম।
বর্তমান কালের বিজ্ঞানীরা বলছেন হাইভ মাইন্ডই নাকি আমাদের ভবিষ্যৎ। তবে অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, এতে আমাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য হারাতে পারে। আমরা হয়তো অন্য কী চিন্তা করছে তা জেনে যাবো, আর তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের হাসিঠাট্টা-পারিবারিক আড্ডাগুলোর নির্মল আনন্দ আর পাওয়া যাবে না! দেখা যাক, কী হয়!
• https://youtu.be/MbL6mEwE3wU
• https://en.m.wikipedia.org/wiki/Swarm_intelligence



Comments
Post a Comment