আমাদের জীববিজ্ঞান ও প্রিয় এনডিসি

উচ্চমাধ্যমিকের জীববিজ্ঞান নিয়ে কথা বলি একটু। আমি অবশ্য সেভাবে মুখস্থ করছি না, ধারণা নিচ্ছি। আমাদের ঢাকার নটর ডেম কলেজের আবুল বাশার স্যার কিংবা মঈন উদ্দিন আহসান হাবীব স্যারের পড়ানোর ধরন বেশ চমকপ্রদ। কাইটিন কী? টেবল ক্লথ। কিউটিকল কী? টেবল ক্লথের ওপর পড়া ঝোলটুকু।
আমি গল্পের বই পড়া, কিংবা পত্রিকা পড়ার কৌতূহলের মতো জীববিজ্ঞান পড়ি। আমরা যা দিয়ে তৈরি, উদ্ভিদ-প্রাণিকুল কী দিয়ে তৈরি, সেটা নিয়ে সাধারণ কৌতূহল থেকেই যায়। জানাটাই প্রধান। অসাধারণ ল্যাব আছে আমাদের। এত এত নমুনা বিজ্ঞানের চোখে দেখা, ক্ষুদ্র জীবনে এটা পরম সৌভাগ্য! যদিও গবেষণাগারের অণুবীক্ষণ যন্ত্রগুলো পুরোনো হয়ে যাওয়ায় কিছু বদলানো দরকার!

আমার মনে হয় নটর ডেম কলেজে জীববিজ্ঞানের একটা দারুণ লিগ্যাসি রয়েছে। দ্বিজেন শর্মা কিংবা ফাদার টিমের নাম করতে পারি, যাঁদের দুজনই ছিলেন বিজ্ঞানী ও শিক্ষক। দ্বিজেন শর্মা সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। আর ফাদার টিম নেমাটোডদের ওপর ব্যাপক গবেষণা করেন, 250 প্রজাতি আবিষ্কার করেন। এই যে নতুন নতুন জীবন সম্পর্কে জানা, নিজেকে ঋদ্ধ করা, এটা কিন্তু রিকশাওয়ালা কিংবা মুচির মধ্যে নাই। এই ক্ষুদ্র জীবনে নিজেকে এইভাবেই তো তৃপ্ত করা উচিত!

Comments

Popular Posts